শনিবার ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

অর্থ প্রতারনার মামলায় দুলালের ১ বছরের কারাদন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ৪২৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

অর্থ প্রতারনার মামলায় দুলালের ১ বছরের কারাদন্ড

১০ লক্ষ টাকা আত্বসাতের অভিযোগে, নোয়াখালীর, লক্ষীনারায়ণের মো দুলাল (৪৫) ১ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেডের এর আদালত ব্রাহ্মণবাড়িয়া। গত বৃহ:বার দুপুরে রায় ঘোষনা করেন বিজ্ঞ বিচারক মো জাহিদুল ইসলাম।

মামলার বাদী আখাউড়ার আনিছের সাথে কথা বলে জানা যায় সে দীর্ঘ বার বছর লন্ডন থাকার পর গত ২০১৬ সালে দেশে আসে। লন্ডনে থাকা অবস্থায় দুলালের এক আত্বীয়ের মাধ্যমে তার সাথে ২০১৭ সালে আনিছের পরিচিয় হয়, সে সুবাদে দুলাল আনিছের বাড়ীতে আসে এবং আনিছ ও দুলালের বাড়ীতে যায় এবং তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ একটা সম্পর্ক তৈরি হয়।

দুলাল আনিছের সাথে কথা বলে জানতে পারে সে লন্ডনে হোটেল ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল। আপনিত দেশে একেবারে চলে এসেছেন এভাবে কতদিন বসে বসে খাবেন। তখন আনিছ বলে কি করব ভাই দেশে ব্যবসা বানিজ্যের কোন লাইন পায়তেছিনা। আনিছের এমন সরলতার সুযোগে দুলাল আনিছকে নোয়াখালীতে ভাল জায়গা আছে বলে পার্টনারে একটা রেস্টুরেন্ট খোলার অফার করে।তখন আনিছ দুলালের প্রস্তাবে রাজি হয়। প্রাথমিক ভাবে ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে ব্যবসা শুরু করবে পরে লাগলে দুজনে মিলে আরও টাকা ইনভেস্ট করবে।

দুলাল আগামি এক মাসের মধ্যে দুজনের নামে যৌথভাবে কাগজপত্র করবে বলে জানায়।এক মাস পরে যখন কাগজের কথা জানতে চায় তখন দুলাল আরও এক মাসের সময় নেয়। আবার একমাস পরে আরও এক মাসের সময় নেয়। এভাবে ৬/৭ মাস পর একদিন বলে আপনি কেন বার বার আমাকে বিরক্ত করতেছেন। আমি কোন ব্যবসা টেপসা করতে পারব না।আনিছ বলে ভাই তাহলে আমার টাকাটা আমাকে ফেরত দিয়ে দেন তখনই সে ফোন লাইন কেটে দেয়। তারপর বার বার চেস্টা করেও তার সাথে যোগাযোগ করতে না পেরে একদিন আনিছ যাদের সামনে ব্যবসার কথা হয়েছিল তাদের নিয়ে দুলালের বাড়ী নোয়াখালীতে গেলে দুলাল টাকার কথা অস্বীকার করে অপমান অপদস্ত করে তাদেরকে বাড়ী থেকে বের করে দেয়। খোজ নিয়ে জানা যায় নোয়াখালী এলাকাতেও দুলালের নামে টাকা আত্বসাৎ ও প্রক্সি করে সম্পতি দখলের অভিযোগ রয়েছে।

বাড়ীতে এসে গত ২৮শে নভেম্বর ২০১৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুজিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেড আদালতে মামলা দায়ের করেন। ২০২০ সালের প্রথম দিকে যেদিন দুলাল কোর্টে হাজির হয় তখন টাকা ফিরিয়ে দিবে বলে আশ্বাস দিলেও জামিন পাওয়ার পর আবার টাল বাহানা করতে থাকে। এভাবে গত দুই বছর যাবৎ আনিছ অনেকবার তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে ও ব্যর্থ হয়। এমন রায়ের ব্যপারে বাদী পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট শাহনুর ইসলাম ও এ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম অপু বলেন বিজ্ঞ আদালত সমস্ত ডকুমেন্ট ও সাক্ষী গ্রহনের পর ন্যায় বিচারের পক্ষে রায় দিয়েছেন আমরা তাতে সন্তুশ প্রকাশ করছি। বাদী আনিছের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি জানান আমি এই রায়ের ব্যাপারে অনেক খুশি এবং কৃতজ্ঞতা জানায় বিজ্ঞ বিচারক স্যারকে ও আমার কেইসের লয়ারকে ও।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন Akhaurar Alo 24-এর খবর

সম্পাদক
মোঃ সাইফুল ইসলাম
যোগাযোগ