শনিবার ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

আখাউড়ায় ম্যাজিস্ট্রেট দেখলে দাম কমে তরমুজের চলে গেলেই বেড়ে যায়

রওনক ইসলাম   |   রবিবার, ০২ মার্চ ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ২২৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

আখাউড়ায় ম্যাজিস্ট্রেট দেখলে দাম কমে তরমুজের চলে গেলেই বেড়ে যায়

পবিত্র মাস মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ যানজট নিরসনে রাস্তার ফুটপাত পরিস্কার রাখতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছেন উপজেলা প্রশাসন।

রবিবার(২ মার্চ) দুপুরে পৌরশহরের সড়ক বাজারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাজালা পারভীন রুহি এই অভিযান পরিচালনা করেন।ফলের দোকানগুলোতে তরমুজ চড়া দামে বিক্রি করলেও ম্যাজিস্ট্রেট দেখা মাত্রই অর্ধেক দামে বিক্রি শুরু করেন ব্যবসায়ীরা।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সড়কবাজারের কাঁচা মাল, মুদি দোকান পরিদর্শন করেন। বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে বিভিন্ন পণ্যের মূল্য যাচাই করেন।ক্রয়মূল্যের চেয়ে অধিক দাম চাওয়ায় কয়েকজন বিক্রেতাকে সতর্ক করেন।
এসময় কয়েকটি দোকানে ক্রয়মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম চাওয়ার বিষয়টি আদালতের নজরে আসে।তখন ৬ জন ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।সবজি ফল মুদি দোকানের দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা টানিয়ে রাখারও নির্দেশ দেন আদালত।

ক্রেতাদের অভিযোগ আদালতের অভিযানের সময় বাজার দর এক রকম থাকে। আদালত চলে গেলে দাম বেড়ে যায়। তবে কাঁচামাল ব্যবসায়ীদের দাবী, আড়তদাররা বেশি দামে পাইকারী বিক্রি করে তাই দাম বেড়ে যায়।
মনির হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, সকালে যে তরমুজ আমি সাড়ে ৭০০ টাকায় কিনেছি, সেই তরমুজ এখন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দাম চাচ্ছে মাত্র ৩৫০/৪০০ টাকা।

পৌরসভার তারাগন এলাকার বাসিন্দা টিপু খান বলেন, সকালে যে তরমুজ আমার কাছে ৬০০ টাকা চেয়েছিল সেই তরমুজ ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে ৩৫০ টাকা দিয়ে কিনেছি। রমজানের শুরুতে আকাশ ছোঁয়া তরমুজের দাম।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাঁচা মাল বিক্রেতা বলেন গত ৪ থেকে ৫ দিন আগে শসা, বেগুন ২০ থেকে ২৫ টাকা বিক্রি করেছি কিন্তু বর্তমানে ৮০ থেকে ১০০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে, কারন আড়তদার দাম বাড়িয়েছে। দুইদিন আগেও লেবু বিক্রি করেছি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা হালি বর্তমানে আড়ৎ থেকে ৬০ থেকে ৮০ টাকা হালি কিনতে হয়, আড়তদার থেকে বেশি দামে ক্রয় করে খুচরা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাজালা পারভীন রুহি বলেন, রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসসহ সব পণ্যের দাম যেন অসাধু ব্যবসায়ীরা বাড়াতে না পারে সেজন্য মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হচ্ছে। আজ প্রথম দিন আমরা ব্যবসায়ীদেরকে সতর্ক করার পাশাপাশি ৬ টি মামলায় ৬ জন ব্যবসায়ী কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।পর্যায়ক্রমে প্রতিটি বাজারে অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন Akhaurar Alo 24-এর খবর

সম্পাদক
মোঃ সাইফুল ইসলাম
যোগাযোগ