নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫ | প্রিন্ট | পড়ুন মিনিটে
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ‘পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস স্কিম (এসইডিপি) এর আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৬ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে আখাউড়া উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠানে এসব শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও তাদেরকে অর্থ পুরস্কার দেওয়া হয়। এসএসসি ১০ হাজার এবং এইচএসসি ২৫ হাজার টাকা। ছাত্রছাত্রীদের নিজ নিজ একাউন্টে পাঠানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জি. এম. রাশেদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার, মোঃ জুলফিকার হোসেন। ২০২২ ও ২০২৩ সালে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ নম্বর ও গ্রেড প্রাপ্ত ৩৬ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবু তৌহিদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার
কফিল উদ্দিন মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা আবু ইউসুফ নুরুল্লাহ, দেবগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেষ মাহফুজুর রহমান, নাছরীন নবী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবব্রত বনিক, মোগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শশাঙ্ক কুমার রায়, আমোদাবাদ শাহআলম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মোঃ তারেক, টনকী ছাদেকুল উলুম মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোঃ জহিরুল হক ভূইয়া, আখাউড়া টেকনিকেল আলীম মাদরাসার শিক্ষক, সহকারি প্রোগ্রামার জিসান আহমেদ, সাংবাদিক মোঃ রাকিবুল ইসলাম, আখাউড়া প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাজী হান্নান খাদেম, অভিভাবক মাসুদ মিয়া, কৃতি শিক্ষার্থী স্বর্ণা অবন্তি পাল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দাখিল মাদরাসার প্রধানগণ, অভিভাবক বৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ ও এসএমসির সদস্য বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, কৃতি শিক্ষার্থীরা সম্মান পেয়েছে তা তাদেরকে ব্যক্তিগত সাফল্য ছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মান ও মর্যাদাকে আরও উজ্জ্বল করেছে। এই পুরস্কারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধার স্বীকৃতি প্রদান এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের উৎসাহিত করা হলো। শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে শিক্ষার্থীরা দেশ ও জাতির উন্নয়নে অবদান রাখবে এই প্রত্যাশা করা হয়।
তারা বলেন, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি ফেল করে। এ দুটি বিষয়সহ সকল বিষয়ে গুরুত্বসহকারে পাঠদান করাতে হবে। শিক্ষার মান উন্নয়ন ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক সকলে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন বক্তারা।